ছেলেদের বিপিএল শেষে তিন দলের উইমেন’স বিপিএল ?

হ্ক্রকেট বোর্ড (বিসিবি) যে মেয়েদের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এটি বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ছেলেদের বিপিএল শেষ হওয়ার পরেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে, যা বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটারদের জন্য একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। এতে করে তাঁদের প্রতিভা আরও বিকাশ লাভ করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারবে।

এই উদ্যোগটি মেয়েদের ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় এবং দৃশ্যমান করার পাশাপাশি, দেশীয় ক্রিকেটের উন্নয়নেও গ


পূর্বে দেওয়া আশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ছেলেদের চলতি বিপিএল শেষ হওয়ার পরপরই মেয়েদের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত মাসে বিপিএলের থিম সং ও মাসকট উন্মোচনের দিনের ঘটনা। বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে পেয়ে ছেলেদের মতো মেয়েদেরও বিপিএল আয়োজনের দাবি জানান জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও অভিজ্ঞ পেসার জাহানারা আলম। সেদিনই তাদের আশ্বাস দেন ফারুক। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমেও বলেন এর সম্ভাবনার কথা।

মাসদেড়েকের মধ্যেই এলো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত। চট্টগ্রামে শুক্রবার দুর্বার রাজশাহী-সিলেট স্ট্রাইকার্স ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এর ঘোষণা দেন বোর্ড পরিচালক নাজমুল আবেদিন।




বিপিএল (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ) পুরুষ ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হলেও, সম্প্রতি উইমেন'স বিপিএল (মহিলা প্রিমিয়ার লিগ) আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) উইমেন'স বিপিএলকে পুরুষদের বিপিএলের পরবর্তী অংশ হিসেবে আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে।

এটি হবে বাংলাদেশে মহিলা ক্রিকেটের উন্নতির জন্য একটি বড় পদক্ষেপ, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মহিলা ক্রিকেটাররা অংশগ্রহণ করবেন। মূলত, উইমেন'স বিপিএল বাংলাদেশে মহিলাদের ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করতে সহায়তা করবে এবং আরও প্রতিভাবান মহিলা ক্রিকেটারদের সামনে সুযোগ এনে দেবে।

এখন পর্যন্ত উইমেন'স বিপিএল আয়োজনের জন্য বিসিবি তিনটি দলের কথা বিবেচনা করছে, যা পরবর্তীতে আরও বাড়ানো হতে পারে।

এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা হতে পারে, যেখানে তারা আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হবে।